প্রকাশিত: ৩১/১০/২০১৪ ৯:১২ অপরাহ্ণ

images
এম.দুলাল মিয়া, উখিয়া::
মাদকের জুয়ারে ভাসছে উখিয়ার যুবসমাজ। ফলে দিন দিন অবনতির পথে ধাবিত হচ্ছে উঠতি বয়সের তরুনেরা।
জেলার দক্ষিণে সীমান্তবর্তী অঞ্চল নিয়ে উখিয়ার ভূখন্ড। মুসলিম, হিন্দু ও বৌদ্ধ এই তিন জাতী মিলে এই উপজেলার অবস্থান। সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ একে অপর জাতী। নেই কোন ভেদাভেদ। বন্ধুত্ব পূর্ণ বন্ধন নিয়ে সবাই বসাবাস আসলে ও আজ এই উপজেলায় অশান্তি, খুন খারাবি ও নির্মমতা বিরাজ করছে মাদকের ভয়াল থাবার কারণে।
প্রাপ্ত তথ্য জানা যায় উখিয়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন মরণ নেশা মাদক। ফলে হাত বাড়ালে পাওয়া যায় এসব নেশা জাতীয় বস্তু। যার কারণে অতি দ্রুত অভ্যস্ত লাভ করতে যাচ্ছে আমাদের উঠতি তরুণ সমাজ। মাদকের বৃত্তে ঘুরপাকখেয়ে আজ পরিবারকে ভুল বুঝতে বসেছে পরিবারকে। মাদকের কারণে সমাজে বেহায়া পনা বিরাজ করছে।
এদিকে পার্বত্য উপজেলার নাইক্ষংছড়ির সোনাইছড়ি থেকে প্রায় এক হাজার লিটার পাহাড়ি চোলাই মদ সোনাইছড়ির মাদক সম্রাট তেজন্দ্র বড়–য়ার ছেলে ধর্মান্তরিত লাতুশি মার্মার নেতৃত্বে পাচার হয় বলে জানা গেছে। পার্শ্ববর্তী রামু উপজেলার দারিয়ারদিঘী থোইয়াংগা কাটা লম্বা ঘোনা পাহাড়ি পথ দিয়ে ও উখিয়ার উপজেলার উত্তর বড়বিল অঙ্গিয়ার ঢালা পাহাড়ি পথ দিয়ে রাতের বেলায় এসব চোলাই মদ সহজে প্রবেশ করে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সুত্রে প্রকাশ এসব চোলাই মদের সাথে জড়িত রয়েছেন পার্বত্য উপজেলার নাইক্ষংছড়ির সোনাইছড়ি গ্রামের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম ওরফে সাবুইল্যা। উখিয়া ও রামু উপজেলার কিছু চিহ্নিত মাদক, ইয়াবা ব্যবসায়ী ও দলীয় কিছু জনপ্রতিনিধির ইন্ধনে এসব মাদক প্রবেশ করে বলে তথ্য জানা যায়।
এসব মাদকের বিরুদ্ধে এলাকার সচেতন মহল অভিযোগ করলে তাদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও মার ধর করে মাদক ব্যবসায়ীরা।এসব অপমান থেকে রেহায় পেতে তারা দেখে ও না দেখার ভান করে বসে থাকে।
সরজমিনে পরিদর্শন কালে গতকাল দেখা যায় পার্বত্য উপজেলার নাইক্ষংছড়ির সোনাইছড়ি মারেগ্য পাড়া ও সোনাইছড়ি পুলিশ ক্যাম্পের পাশে হেডম্যান পাড়া গ্রামে তৈরী করা হচ্ছে এসব চোলাই মদ। তারা স্থানীয় পাড়ির পুলিশকে মাসিক মাসুহারা দিয়ে এসব মদ তৈরী করেন বলে জানিয়েছেন চাইহ্লা থোয়াই মার্মা।
মাসুহারার বিষয়ে সত্যতা জানতে স্থানীয় পুলিশ পাড়ির আইসির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তা অস্বীকার করেন। এবং তিনি মাদকের বিরুদ্ধে তড়িৎ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।
এলাকাবাসীর দাবী প্রশাসন চাইলে নিমিষেই এসব মাদক পাচার বন্ধ করা যায়। শিঘ্রই এসব মাদক পাচার ও প্রবেশ বন্ধকরার জন্য এলাকাবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পাঠকের মতামত

রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত 

রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত 

পলাশ বড়ুয়া:: কক্সবাজারে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। ভাষা দিবসের কর্মসূচিতে রোহিঙ্গা ...